/div>

জনপ্রিয় পোষ্টসমূহ

Blogger Tricks
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

আর্ন করুন বিট কয়েন ঘণ্টাই মাত্র ২ টি করে শব্দ লিখে। (পর্ব-১)



আপনি কি জানেন বিট কয়েন কি? ১ বিট কয়েন সমান ৪৯৫ ডলার। যা আপনি আপনার পিসি বা যেকোনো মোবাইল থেকে আর্ন করতে পারবেন। সবাই নিশ্চয়ই মোবাইল এ ফেসবুক বা বিভিন্ন ভাবে সময় পার করি,প্রতি এক ঘণ্টা পর পর কি মাত্র ২ টা করে শব্দ লিখতে পারবেননা? জাভা ফোন থেকেও ভাল ভাবে করতে পারবেন। প্রতি ১ ঘণ্টাই ১ মিনিট সময় হলেই এনাফ। আসুন দেখি তাহলে......।।

আসুন জেনে নি ফেসবুকের শর্টকাট কী গুলো

মাউস না থাকায় অনেক সময় আমরা ফেসবুক ব্যবহার করতে পারি না। অনেক সময় key-Board এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। আর key-Board দিয়ে কাজ করা আরও বিরক্তকর। তাই এইসব বিরক্তকর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ফেসবুকের শর্টকাট কী গুলো নিচে দেয়া হলো।

খুব সহজেই IDM এর স্পিড বাড়ান


IDM বা Internet Download Manager খুব জনপ্রিয় একটি ডাউনলোড ম্যানেজার সফটওয়্যার। আরও অনেক ডাউনলোড ম্যানেজার রয়েছে তবুও আমরা বেশীর ভাগ মানুষই IDM ই ব্যবহার করি কারন অন্যদের তুলনায় এটার ডাউনলোড স্পিড বেশি। কিন্তু এর কারন কি ???
এর কারন হল IDM একটি ফাইলকে অনেক গুলো ভাগে ভাগ করে ডাউনলোড করে।


সাধারনত ৮ টি ভাগে ভাগ করে ফাইল ডাউনলোড করে IDM তো এটার ভাগ যদি আরও বাড়ানো যায় তবে আরও একটু দ্রুত ফাইলটি ডাউনলোড হতো।

চাইলে অনলাইনেই শিখতে পারবেন অনেক কিছু


মানুষের জীবনে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে ইন্টারনেট। নতুন ভাষা, কোড লেখা, ছবি আঁকা, নকশা করা বা নতুন রান্নার মতো বিষয়গুলো শিখতে অর্থ খরচ করতে হয়। কিন্তু ইন্টারনেট দেখে চেষ্টা করলে খুব সহজে বিনামূল্যেই তা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ভিডিও সাইট ইউটিউব যেমন কাজে আসতে পারে তেমনি বিনামূল্যের

ফেসবুকে ছয় ধরনের পোস্টে ক্লিক করবেন না


বন্ধুর পোস্ট করা সুন্দরী একটি মেয়ের ছবি বা ভিডিও ফেসবুক টাইমলাইনে আসার পর সে লিংকটিতে ক্লিক করে বিপদে পড়ে গেছেন অনেকেই। লাইক দেওয়া ছবিটির

উইন্ডোজ ৮ বা ৮.১ এ নেটফ্রেমওয়ার্ক ইন্সটল করুন খুব সহজে।


আমরা অনেকেই উইন্ডোজ ৮.১ ইন্সটল করেছি কিন্তু কেন জানি উইন্ডোজ ৮ এর মত নেটফ্রেমওয়ার্ক ইন্সটল করা যায় না , এর ফলে আমাদের অনেক প্রোগ্রাম

এবার আপনার কম্পিউটারে install করুন Android Jelly Bean এবং enjoy করুন মজার মজার android games,apps


প্রথমে আপনাকে andriod iso file, vmware অথবা virtualbox install করতে হবে

লিঙ্ক নিচে দেওয়া হল

For android ISO
https://android-x86.googlecode.com/files/android-x86-4.2-20130228.iso

For virtual box
https://www.virtualbox.org/wiki/Downloads

For VMware
 https://my.vmware.com/web/vmware/info/slug/desktop_end_user_computing/vmware_workstation/9_0?rct=j&q=&esrc=s&source=web&cd=1&cad=rja&ved=0CCcQFjAA&url=http://www.vmware.com/go/downloadworkstation&ei=7LciUrX1MoiTrgeckYDwAQ&usg=AFQjCNEVKbKEcEsfY7NjAaBQZbrtZtXttg&sig2=l2-nGUx64qzdh036AP8lcg&bvm=bv.51495398,d.bmk

আমি  VMware দিয়ে isntall দিয়েছি
প্রথমে VMware open  করুন

Create a new virtual machine open করুন
Custom>>next
>>Next

যাদের ঘুম আসে না তাদের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান


যারা ঘুমানোর চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারেন না তাদের জন্য পোস্টটি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুম যথেষ্ট। কিন্তু এই
স্বাভাবিক ঘুমটুকু ঘুমাতে পারে না অনেকেই।
নিদ্রাদেবীকে হটিয়ে দিয়ে অনিদ্রা এসে জুড়ে বসে মহাভারতের দুর্ষোধরনের মতো অপাঙক্তেয়ভাবে। ভাবতে অবাক লাগে, আমাদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে অন্তত একজন অনিদ্রায় ভোগেন। অনিদ্রার চিকিৎসা কী? আদৌ কি সম্ভব অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়া? গবেষকদের শেষ নেই এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণার। বর্তমান লেখাটিতে অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়ার বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া হলো। পরামর্শগুলো মেনে চললে আপনার চোখে নেমে আসতে পারে সুখকর এক চমৎকার ঘুম।
১. উত্তেজক কোনো কিছু পরিহার করুন
শারীরিক উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ওষুধ বা মাদক পরিহার করলে আপনি তলিয়ে যেতে পারেন ঘুমের অতল রাজ্যে। অনেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সিগারেট কিংবা কফি পান করেন। এ দুটোই ঘুমের জন্য ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিন এবং কফির ক্যাফিন স্নায়ুর উত্তেজনা ঘটিয়ে তাড়িয়ে দেয় ঘুমটাকে। একই কথা প্রযোজ্য চকোলেট এবং ব্যথানাশক ওষুধের ক্ষেত্রে। উচ্চ রক্তচাপের ওষুধগুলোও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। যারা চাইনিজ খাবারে অভ্যস্ত তাদেরও দেখা দেয় অনিদ্রা। অনেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অরেঞ্জ স্কোয়াশ বা কমলালেবুর পানীয় পান করেন। কিন্তু এতে থাকে টারট্রাজিন নামক এক ধরনের রঙ, যা অনিদ্রা ঘটায়। তাই সুখকর ঘুমের জন্য এসব কিছুই পরিহার করতে হবে।
২. অ্যালকোহল ত্যাগ করুন
কারো কারো ধারণা অ্যালকোহল ঘুমের জন্য বেশ সহায়ক। কিন্তু অতিরিক্ত অ্যালকোহল মস্তিষেক ঘুমের ছন্দে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। অ্যালকোহল পানে একটানা ঘুম হয় না, বারবার ঘুম ভেঙে যায়। অনেক সময় ঘুম আসেই না। সুতরাং ভালো ঘুমের জন্য ত্যাগ করতে হবে অ্যালকোহলের মায়াটুকু।
৩. দুধ পান করুন
অনেকের অবশ্য দুধ হজম হয় না। কিন্তু যাদের দুধ পানে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটে না তারা ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ পান করতে পারেন। দুধ, হরলিকস কিংবা ওভালটিনে থাকে ট্রিপটোফেন নামক এমাইনো এসিড, যা মস্তিষেক গিয়ে সেরোটোনিন নামক রাসায়নিক উপাদানে রূপান্তরিত হয় এবং আপনার ভালো ঘুম নিশ্চিত করে।
৪. ঘুমের ওষুধ খাবেন না
কেউ কেউ ঘুমের জন্য নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খান। কিন্তু এটা চলতে থাকলে ওই ওষুধটার প্রতি নির্ভরতা চলে আসে, যা অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই চেষ্টা করুন ঘুমের ওষুধ বাদ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই ঘুমাতে।
৫. ক্ষোভ পুষে রাখবেন না
মনের মধ্যে ক্ষোভ, রাগ প্রভৃতি পুষে রাখলে তা আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে। বিছানায় যাওয়ার আগেই আপনার ক্ষোভ দূর করুন। একা একা সুর দিয়ে গান গান। প্রশমিত করুন মনটাকে। কারো সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়লে সমঝোতায় আসুন তার সঙ্গে।
৬. সালাদ খান বেশি করে
আপনি যদি নিয়মিত লেটুস খান আপনার ঘুমটা ভালো হবে। যদিও সালাদ ঘুমের জন্য বেশ সহায়ক-তবু এর মধ্যে লেটুস নিদ্রা উদ্রেককারী হিসেবে কাজ করে। তাই আপনি যখন সালাদ খাবেন সালাদে লেটুস খেতে ভুলবেন না।
৭. দূর করুন শারীরিক রোগ
ঘুম না আসাটা শুধু মানসিক কারণে কিংবা অন্যান্য কারণ নয়, শারীরিক কারণ এ ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক শারীরিক অসুখে ঘুম আসে না। আপনার ঘুম না এলে আপনি কোনো শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন কি না তা নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
৮. বিছানায় রাখুন সুগন্ধি
প্রাচীন লোকরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘরে ছিটিয়ে দিতেন সুগন্ধী। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কিছু সুগন্ধি যেমন পুদিনা, কর্পুর, সাইপ্রাস, লেবু, মেলিসা, গোলাপ, চন্দন প্রভৃতি পত্রবিশেষ গুল্মের সুগন্ধি নিদ্রা ডেকে আনে। তাই আপনার বিছানায় এসব সুগন্ধি মেখে রাখতে পারেন।
৯. গান শুনুন ধীরলয়ে
হার্ড গানগুলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় কিন্তু আপনি যদি লাইট অফ করে বিছানায় শুয়ে পড়ে শরীরটাকে শিথিল করে ধীরলয়ে গান শুনতে থাকেন দেখবেন এক সময় ঘুমের ঢল নেমে আসবে আপনার চোখে।
১০. দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন
দুশ্চিন্তা অনিদ্রার অন্যতম কারণ। সব সময় চেষ্টা করুন দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে। অনেকে আবার দুশ্চিন্তা করেন ‘ঘুম আসছে না’ এই ভেবে। ঝেড়ে ফেলুন সব দুশ্চিন্তা। অবগাহন করুন ঘুমের গহিন সমুদ্রে।





  
 
 

মোবাইল ব্যবহারের কিছু সতর্কতা


বর্তমানে প্রায় সবাই মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে থাকেন। অসতর্ক ভাবে মোবাইল ফোন ব্যাবহারের ফলে নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। আপনাদের মধ্যে তুলে ধরা হলো মোবাইল ফোন ব্যাবহারের কিছু সতর্কতা।

১. কল রিসিভ করে বাম কানে ফোন নিয়ে কথা বলুন ।
২. ব্যাটারীর চার্জ যখন এক পয়েন্ট বা কম তখন মোবাইল ব্যাবহার খুবই বিপদজনক। তখন রেডিয়েশন ১০০০গুন বেড়ে যায়।
৩. ব্যাটারী চার্জে দিয়ে ফোনে কথা বলবেন না এটি বিপদজনক।
৪. কখনই ফোন বালিশের নিচে রেখে ঘুমাবেন না, এর ফলে রেডিয়েশন সরাসরি মস্তিষ্কে যায়। যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।
৫. সম্ভব হলে ফোন বন্ধ করে বা এয়ারপ্লেন মোডে দিয়ে ঘুমাবেন।
৬. সাবধান গাড়ি বা বাইক চালিয়ে ফোনে কথা বলবেন না, আপনার হয়ত ক্ষতি কম হবে দুর্ঘটনায় কিন্তু ঐ পথচারী কেন আপনার জন্য ভুক্তভোগী হবে।
৭. মোবাইল বা স্মার্টফোন ব্যাবহারে সতর্ক থাকুন একটানা অনেক্ষন নেশার মত ব্যাবহারের ফলে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা বা ডিপ্রেশনজনিত জটিলতা হতে পারে। তাছাড়া বেশি আসক্ত হয়ে গেলে দেখবেন আপনার আশেপাশের মানুষ আপনার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই আমরা যারা প্রযুক্তিমনা মানুষ তাদের সামাজিক যোগাযোগটা অনেকটাই ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে গেছে। যদি ও জিনিসটা ভাল কিন্তু আপনি একটু সতর্ক থাকুন যেন আপনার মা, বাবা, পরিবারের বা আপনার বাস্তবজগতের মানুষের সাথে যেন দূরত্ব সৃষ্টি না হয়।



আপনার পাসওয়ার্ড আসলেই সুরক্ষিত কিনা জেনে নিন


আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন তা আপনাকে কতটুকু সুরক্ষিত রাখছে অনলাইনে? আপনি শুনে হয়তো আশ্চর্য হবেন, একজন এক্সপার্ট হ্যাকার একটি ওয়েবপেইজ লোড হতে যতটুকু সময় লাগে তার থেকে কম সময়ে একটি পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে। এটি এখন আগের থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ আপনি কীভাবে আপনাকে সুরক্ষিত রাখবেন অনলাইনে।

ইনস্ট্যান্ট চেকম্যাট (Instant Checkmate) এই বিষয়টিকে সামনে রেখে একটি ইনফোগ্রাফ বানিয়েছে যা দেখায় বেশিভাগ অনলাইন ইউজারদের পাসওয়ার্ড বা তারা নিজে কতটুকু অরক্ষিত। যেমন, প্রতি ৩ জনের ১ জন ইন্টারনেট ইউজার একই পাসওয়ার্ড সকল সাইটে ব্যবহার করে। এবং সবচেয়ে দুর্বল পাসওয়ার্ডটি হল “123456” অথবা “password”, কিংবা এই শব্দ গুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেই পাসওয়ার্ড গুলোতে।
নিচে গ্রাফটি দেখে আমাদের জানাতে ভুলবেন না, আরও কি কি টিপস তাতে যোগ করা যায়।

ব্যাটারির চার্জ বাড়বে অ্যান্ড্রয়েডে


অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোনে নানা রকমের অ্যাপস ব্যবহারের ফলে এর ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। বেশি অ্যাপস ব্যবহার করেও যাতে ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়ানো যায়, সেটি উন্নয়নে গুগল ইনকরপোরেটেড কাজ করে যাচ্ছে। জুস ডিফেন্ডার ব্যাটারি সেভার নামের দারুণ এক অ্যাপস ব্যবহার করে ব্যাটারির চার্জ অনেকক্ষণ ধরে রাখা যাবে। এটি মূলত ব্যাটারির চার্জক্ষমতা বৃদ্ধি রাখতে বিশেষভাবে তৈরি। মোবাইল ডেটা, থ্রিজি, ফোরজি নেটওয়ার্ক যাতে বেশি ব্যাটারি খরচ না করে, সেটির বিরুদ্ধে অ্যাপসটি কাজ করে থাকে। গুগল প্লে-স্টোরের http://goo.gl/tFoFsK ওয়েবপাতা থেকে বিনা মূল্যে এটি ফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন। এবার অ্যাপসটি চালু করে এর Status বোতামে গিয়ে Enabled নির্বাচন করলে সেটি কাজ করার উপযোগী হবে। ফোনের ব্যাটারির খরচ কমিয়ে নেওয়া যাবে এর ডিফল্ট প্রোফাইলগুলো ব্যবহার করে। এর প্রোফাইলগুলো প্রতিটি আলাদা কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এখানে Extreme প্রোফাইলকে বেছে নিলে সর্বোচ্চ কার্যক্ষমতায় সেটি কাজ করবে। Configure Apps-এ গিয়ে ইনস্টল থাকা অন্যান্য অ্যাপসের জন্য এটিকে Enabled করে দিতে হবে। তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেকোনো অ্যাপসের অতিরিক্ত ব্যাটারি খরচকে বাধা প্রদান করে সেটিকে বন্ধ রাখবে। রাতে ফোন ব্যবহারের জন্য Night অপশনকে সক্রিয় করলে পাওয়া যাবে আরও বিশেষ সুবিধা। তাই অনেক সুবিধার এই অ্যাপসটি চালিয়ে ফোনের ব্যাটারি জীবনকে আরও বৃদ্ধি করে নিতে পারেন।



উইন্ডোজের শর্টকাট কি


Alt + Tab টাস্কবারে মিনিমাইজ করা ফাইল খোলা।
Alt + Shift + Tab একই সময়ে মিনিমাইজ করা অন্য আরেকটি ফাইলখোলা।
Ctrl + Tab বিভিন্ন আইকন বা খোলা থাকা ফাইলেকারসর নিয়ে যাওয়া।
Ctrl + Shift + Tab মাই ডকুমেন্টসে কারসর নিয়ে যাওয়া।
Alt + Print Screen স্ক্রিনশট তৈরি করা।
Ctrl + Alt + Del শাটডাউন, রিস্টার্ট, লগ-অফ ইত্যাদি করার জন্য ডায়ালগ বক্স খোলা।
Ctrl + Shift + Esc উইন্ডোজ টাস্কবার খোলা।
Ctrl + Esc স্টার্ট মেনুতে প্রবেশ।
Alt + Esc টাস্কবারে মিনিমাইজ করা ফাইল নির্বাচন করা।
Alt + Spacebar ফাইল খোলা অবস্থায় রিস্টোর, মিনিমাইজ ও ক্লোজ সক্রিয় করা
Alt + Enter নির্বাচিত আইকনের প্রপার্টিজ দেখা।
Shift + Del নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারকে হার্ডডিস্ক থেকে একেবারে মুছে ফেলা।
F1 উইন্ডোজ হেল্প অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার খোলা।
F2 নির্বাচিত ফাইল বা আইকনের নাম পরিবর্তন করা (রিনেম)।
F3 ফাইল খোঁজা।
F4 অ্যাড্রেসবার থেকে ড্রাইভ বা ফাইল খোঁজা।
Alt + F4 চলতি প্রোগ্রাম বন্ধ করা বা উইন্ডোজ শাটডাউন করা।
Ctrl + F4 খোলা ফাইল বন্ধ করা।
F6 অ্যাড্রেসবার নির্বাচিত ও অন্যান্য ড্রাইভ বা অপশন নির্বাচন করা।
F8 চালু হওয়ার সময় উইন্ডোজ সেফ মুডে থাকবে।
F10 মাই কম্পিউটারের ফাইল মেনুবার নির্বাচন ও অন্যান্য মেনুবারের প্রথম অক্ষরে আন্ডারলাইন তৈরি।
WINKEY স্টার্ট মেনু খুলবে।
WINKEY + F1 উইন্ডোজ হেল্প অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার খোলা।
WINKEY + Pause/Break সিস্টেম প্রপার্টিজ ডায়ালগ বক্সে প্রবেশ করা।
WINKEY + D ডেস্কটপ রিফ্রেশ করা এবং অন্যান্য মেসেজ বক্স বন্ধ করা।
WINKEY + E মাই কম্পিউটার ফোল্ডার খোলা।
WINKEY + F সার্চ রেজাল্ট বক্স খোলা।
WINKEY + Ctrl + F সার্চ রেজাল্ট বক্সে নাম দিয়ে কম্পিউটার খোঁজা (নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে)।
WINKEY + L কম্পিউটার চালু হওয়ার সময়ের পাসওয়ার্ড বক্স খোলা ও পাসওয়ার্ড দেওয়া।
WINKEY + M মাই কম্পিউটার, মাই ডকুমেন্টস ইত্যাদি উইন্ডো মিনিমাইজ করা।
WINKEY + Shift + M মাই কম্পিউটার, মাই ডকুমেন্টস ইত্যাদি মিনিমাইজ করা উইন্ডো খোলা।
WINKEY + R রান বক্স খোলা।
WINKEY + U ইউটিলিটি ম্যানেজার খোলা।
WINKEY + Tab মিনিমাইজ করা ডকুমেন্ট বা উইন্ডো নির্বাচন করা।












জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা


টাইপ *#06#

এই কোড দেওয়ার পরবর্তীতে আপনি ১৫ ডিজিটের নতুন একটি কোড দেখবেন নিম্ন রুপ:

3 5 0 4 7 7 0 1 1 5 0 8 1 0 8

- যদি ডিজিট সাত ও আট নম্বর হয় 02 অথবা 20 তবে বুঝতে হবে এটা এসেম্বল করা হয়েছে এমিরাতে এবং এর কোয়ালিটি খুবই খারাপ

- যদি ডিজিট সাত ও আট নম্বর হয় 08 অথবা 80 তবে বুঝতে হবে এটা এসেম্বল করা হয়েছে জার্মানীতে এবং এর কোয়ালিটি খুব খারাপ নয়।

- যদি ডিজিট সাত ও আট নম্বর হয় 01 অথবা 10 তবে বুঝতে হবে এটা এসেম্বল করা হয়েছে ফিনল্যান্ডে এবং এর কোয়ালিটি ভাল।

- যদি ডিজিট সাত ও আট নম্বর হয় 00 তবে বুঝতে হবে এটা এসেম্বল করা হয়েছে অরিজিনাল ফ্যাক্টরিতে এবং এর কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো …

- যদি ডিজিট সাত ও আট নম্বর হয় 13 তবে বুঝতে হবে এটা এসেম্বল করা হয়েছে আজারবাইজানে এবং এর কোয়ালিটি অত্যন্ত খারাপ ও ঝুকিপুর্ণ …!!!







Google এর মাধ্যমে খুব সহজে যে কোনো সফটওয়্যারের Serial Key খুঁজে বের করুন

Google এর মাধ্যমে খুব সহজে যে কোনো সফটওয়্যারের Serial Key খুঁজে বের করুন ।
============================================

আপনাদের কাছে একটা ট্রিকস শেয়ার করছি যার মাধ্যমে কোন ঝামেলা ছাড়াই আপনি তথ্য খুঁজে পাবেন ।

প্রথমে http://www.google.com/ এ যান

আপনি সার্চ বক্সে লিখুন 94FBR স্পেস দিয়ে আপনি যে সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি খুজতেছেন তার নাম লিখে ক্লিক করুন ।

উদাহরনঃ 94FBR windows 7

এবার দেখুন windows 7 সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি আপনার সামনে হাজির ।

এভাবে যেকোন সফটওয়্যারের Serial Key খুঁজে বের করতে পারবেন।




অ্যান্ড্রয়েড এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি কোড, কখনো আপনার প্রয়োজন হতে পারে ।




*#06# – IMEI নাম্বার প্রদর্শন করবে।
*2767*3855# – ফ্যাক্টরি রিসেট কোড( ফনের সব ডাটা ডিলিট হয়ে যাবে )
*#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য।
*#*#273282*255*663282*#*#* – সকল মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ করার কোড।
*#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড কোড।
*#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন ।
*#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন।
*#*#232339#*#* – Wireless LAN টেস্ট কোড।
*#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেসন টেস্ট কোড।
*#12580*369# – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফর্মেশন।
*#*#2664#*#* – টাচ স্ক্রীন টেস্ট কোড।
*#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড।
*#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন।
*#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফর্মেশন।
*#872564# – ইউএসবি লগিন কন্ট্রোল।
*#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু।
*#7465625# – ফোন লক স্ট্যাটাস।
*#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রি-স্টোর সেটিং। গুগল অ্যাকাউন্ট সহ সকল সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে।
*2767*3855# – ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিং। সকল ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি-ইন্সটল হবে।
*#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফর্মেশন।
*#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রীন। সব ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে।
*#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড। বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য।
*#*#7594#*#* – এই কোড আপনার ইন্ড কল/ পাওয়ার বাটন কে ডাইরেক্ট পাওয়ার অফ বাটন এ পরিনত করবে।
*#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড।
*#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফর্মেশন। ক্যামেরা ফার্মওয়্যার আপডেট অপশন টি ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ হয়ে যাবে।
W-LAN, GPS and Bluetooth Test Codes:
*#*#232339#*#* OR *#*#526#*#* OR *#*#528#*#* – W-LAN টেস্ট কোড। টেস্ট শুরু করার জন্য মেনু বাটন ব্যবহার করুন।
*#*#232338#*#* – ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস।
*#*#1472365#*#* – জিপিএস টেস্ট।
*#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড।
*#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড।
*#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইস ইনফর্মেশতেস
*#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট।
*#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট।
*#*#2664#*#* – টাচ স্ক্রীন টেস্ট।
*#*#2663#*#* – টাচ স্ক্রীন ভার্সন।
*#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক।
*#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট।
*#*#3264#*#* – র‍্যাম ভার্সন টেস্ট





স্মার্টফোনে বাংলা লেখা


অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনগুলো এমনিতেই ইউনিকোড সমর্থন করে। তবে এসব স্মার্টফোনে বাংলা লেখার জন্য আলাদা অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়।
নতুন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা সহজেই মায়াবী কি-বোর্ড ব্যবহার করে বাংলা লিখতে পারেন। এ জন্য গুগল প্লে স্টোরের http://goo.gl/8EL8Ld ঠিকানা থেকে অ্যাপটি নামিয়ে স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে। অ্যাপস নামিয়ে নেওয়ার সময় আপনি যদি গুগল প্লে স্টোরের এই পাতায় ব্র্যাকেটের মধ্যে বাংলা লেখা দেখতে পারেন, তাহলে আপনার ফোনে বাংলা লিখতে ও পড়তে পারবেন। এটি এ জন্য বলা হচ্ছে, কারণ অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইউনিকোড বাংলা সমর্থন করে না।
মায়াবী কি-বোর্ড ফোনে সচল করতে অ্যাপসের Settings থেকে Languages-এ গিয়ে Mayabi Keyboard দেখে দিন। ডিফল্ট লে-আউট হিসেবে এটি নির্ধারণ করতে যেকোনো টেক্সট এডিটরে গিয়ে লেখার মধ্যে আঙুল চেপে ধরে Input method থেকে Mayabi keyboard নির্বাচন করে দিন। এখন বাংলা লিখতে চাইলে Input method থেকে Mayabi keyboard নির্বাচন করে বাংলা লেখা যাবে।
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য মায়াবী কি-বোর্ড ফোনেটিক লে-আউট সমর্থন করে থাকে। তাই ফোনেটিক কি-বোর্ড ব্যবহার করে বাংলা লিখতে চাইলে ইংরেজিতে আপনার দরকারি শব্দ লিখলে সেটি বাংলা হয়ে যাবে। আপনি যদি ‘আমার সোনার বাংলা’ কথাটি এখানে লিখতে চান, তাহলে ইংরেজিতে লিখুন ‘amar sonar bangla’। তাহলে সেটি বাংলা হয়ে যাবে। একই সঙ্গে এই অ্যাপে বাংলা এবং ইংরেজি অভিধানে অনেক শব্দ সংরক্ষণ করা আছে। তাই চাইলেই যেকোনো ইংরেজি থেকে বাংলা বানানের ক্ষেত্রে সেটি দেখে নিয়ে তা সহজেই লেখা যাবে।





Active করুন উইন্ডোজ ৮


যবহারকারীরা যাতে নানান কাজ সহজে এতে করতে পারে, সে জন্য অনেক ধরনের নতুন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম টাকা দিয়ে না কিনেও (জেনুইন) শুধু এর পরীক্ষামূলক সংস্করণকে (ট্রায়াল ভার্সন) বিনা মূল্যে ১৮০ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় মাইক্রোসফটের বিশেষ একটি সুবিধা ব্যবহার করে। এ কাজ সহজেই এবং লিগ্যালভাবে করে এটিকে আপনার ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

এই কাজ করতে স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখে তাতে মাউসের রাইট বোতাম চেপে Run as Administrator নির্বাচন করে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন। কালো পর্দার এখানে slmgr /ipk 3HBY3-3GNXP-22R96-CCMCB-HT67C লিখে এন্টার চাপুন। পরের বার slmgr -skms <KMS SERVER> লিখে আবারও এন্টার চাপুন।
আবার slmgr.vbs ~ato লিখে এন্টার চাপুন। খেয়াল রাখবেন, কাজটি করার সময় কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে হবে। সব কাজ সম্পন্ন করলে উইন্ডোজ আট ১৮০ দিনের জন্য সক্রিয় হয়ে যাবে। এখন প্রয়োজনে উইন্ডোজ হালনাগাদ (আপগ্রেড) করা যাবে কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই।


মাইক্রোসফটের সব উইন্ডোজের রান কমেন্ডেস সংগ্রহ করুন



মাইক্রোসফট একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সেভেন এবং উইন্ডোজ এইট মাইক্রোসফটেরই অবদান। লিনাক্স, উবান্টু কিংবা অন্য সব অপারেটিং সিস্টেম থেকে এক্সপি, সেভেন এবং এইট ই বেশি জনপ্রিয় সারা বিশ্ব জুড়ে। আমার পছন্দের অপারেটিং সিস্টেম হল এক্সপি। কারন এর কাজ করার ধরন অনেকটা সহজ এবং বোধগম্য তবে আমি উইন্ডোজ এইট ও ব্যবহার করি। মাইক্রোসফটের এই অপারেটিং সিস্টেমগুলো জনপ্রিয় হবার পিছনে অনেক কারন আছে তার মধ্যে আমার যা ভালোলাগে তা হলো এর রান কমেন্ট পদ্ধতী। এর মাধ্যমে আমারা প্রায় সবধরনের কাজ খুব দ্রুত করতে পারি। তবে রান কমেন্ট সম্পর্কে অভিজ্ঞাতা থাকেতে হবে। অনভিজ্ঞ কারো না জেনে রান কমেন্ট ব্যবহার করা ঠিক না। আমি অনেক প্যাচাল পারলাম কারন শব্দ সংখ্যা কম হলে পোষ্ট করা যায় না। কিন্তু এবার আসল কাথায় আসি। আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু রান কমেন্টস শেয়ার করব।যা আপনাদের কাজ করার গতি বৃদ্ধি করবে।
প্রথমে আসি এক্সপির রান কমেন্টস নিয়ে। বাংলাদেশে বেশির ভাগ মানুষই ব্যবহার করে উইন্ডোজ এক্সপি। এক্সপির বেশ কিছু রান কমেন্টস আপনাদের জন্য দেওয়া হল।

 DOWNLOAD IN PDF

বাংলাদেশে ২য় স্থনে আছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ সেভেন। সংগ্রহ করুন সেভেনের কিছু রান কমেন্টস

 DOWNLOAD IN PDF

কম হলেও মাইক্রোসফটের সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এইট এর ব্যবহার হচ্ছে। এর মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ও হয়ে উঠেছে এইট।




আপনার পিসির ইউএসবি লক করুন


ইউ এস বি পোর্ট কম্পিউটারএর একটি খুবই দরকারি পোর্ট । বর্তমানে কম্পিউটারএর সকল  ডিভাইসগুলো  ইউএসবি দিয়া তৈরি হচ্ছে। দ্রুত তথ্য পরিবহন এবং দ্রুত কাজ করার জন্য ইউএসবি খুব এ দরকারি একটি জিনিস। মাঝে মাঝে এটি খুবি ঝামেলার কারন হয়ে দারাই যখন আপনার ইউএসবি দিয়া আপনার কম্পিউটারএ  ভাইরাস ঢুকসে অথবা আপনার কম্পিউটার এর ইউএসবি দিয়া অন্য কেও অবৈধ প্রবেশ করসে। এটি খুবই বিরক্তিকর হয়ে দাড়াই আর তখন এ দরকার পরে আপানার কম্পিউটারের ইউএসবি এর নিরাপত্তার । আর সেই নিরাপত্তার জন্য আজ আমি আপনাদের পরিচয়ই করে দিব একটি ইউএসবি লক করার সফটওয়্যার যার গিলি সফট ইউএসবি লক সফটওয়ারের ।
এই সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারের সকল ইউএসবি কে লক করে রাখতে পারবেন সেই সাথে আপনি আপনার কম্পিউটারের অন্য সব রম গুলো কেও আপানি লক করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপানি আপনার কম্পিউটারের ইউএসবি এবং অন্য সকল রম এর নিরাপত্তা দিতে পারবেন খুব সহজে।

SuperCleaner দিয়ে কম্পিউটারের অবাঞ্চিত ফাইল দূর করুন


কম্পিউটারে কাজ করতে করতে আমরা অনেক অবাঞ্চিত ফাইল জমা করে ফেলি যা হার্ড ডিস্কের জায়গা কমিয়ে দেয়। এর থেকে পরিত্রান পাবার জন্য বিভিন্ন ইউটিলাইটিস ব্যবহার করি। আজ তেমনি এক সফটের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিবো, যা দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারে অবাঞ্চিত ফাইল, ইন্টারনেট ব্যবহার করার ফলে বিভিন্ন কুকিজ ও  unneeded  ফাইল যা কম্পিউটারে জমা হয়ে হার্ড ডিস্কের জায়গা দখল করে রাখে তা নিমিষে খুজে নিয়ে পরিস্কার করে কম্পিউটারকে করবে গতিময়। আর এই জন্য আপনাকে যা করতে হবে প্রথমে এখান থেকে SuperCleaner কে ডাউনলোড করে নিন। মাত্র 443 KB ডাউনলোড করা হয়ে গেলে রার ফাইলকে এক্সট্রাক্ট করুন। এক্সট্রাক্ট করার সময় পাস ওয়ার্ড দিন zakir@ এরপর পিসিতে ইন্সটল দিন। ইন্সটল শেষে ডেস্কটপ আইকন থেকে ডাবল ক্লিক করে SuperCleaner কে ওপেন করে নিয়ে ডাউনলোড করা ফাইলে পাওয়া সিরিয়াল কি দিয়ে একে ফুল ভার্সন করে নিন। ব্যাস কাজ শেষ। এবার আপনি স্ক্যান করে ময়লা পরিস্কার এর কাজটি করে নিতে পারেন। নিচের চিত্রের মত—-


 এইটি Windows 7, Vista, XP, 2003, NT, Millenium Edition, 98  এই সকল অপারেটিং সিস্টেমে চলার উপযোগী।
তাহলে দেখে নিন এক নজরে এর ফিচারগুলি————-

· Safe to use
SuperCleaner performs several safety checks to ensure that your important files (Word, Notepad, etc.) aren’t harmed
· Protect your Internet privacy
Erase temporary internet files, history files, cookies, and index.dat files! Supports the following browsers: Firefox, Internet Explorer, AOL, Opera, Mozilla, Netscape Navigator
· Guard yourself from undelete programs
Use the file wipe option to make it impossible for your files to be recovered by someone using undelete software!
· Keep your hard drives clean
Scan your entire computer for unneeded and obsolete files, and make your Windows run faster and smoother!
· Clean your Internet Favorites menu
Find and remove websites from your Favorites list that are no longer working
· Keep your Start menu clean
Find and remove dead links from your Start menu
· Automatic cleaning
SuperCleaner can automatically perform many cleaning functions when your computer starts up, such as: erasing your Internet browsing history; emptying the Windows temporary directory; emptying the Recycle Bin; and much more!



Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

টোটাল পেইজ ভিউজ